গত ৫ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ১২ নম্বর সেক্টরের লেকপাড়ের ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয় রূপগঞ্জের নাওড়ায় বসবাসরত এক ভাড়াটিয়া নারী রাবেয়ার মরদেহ । তিনি ভোলা সদরের চর রমেশ এলাকার শামসুদ্দিনের স্ত্রী। রূপগঞ্জের নাওড়া গ্রামে ভাড়া থেকে জলসিঁড়ির ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় রান্নার কাজ করতেন।
পুলিশ জানায়, গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফেরার কথা থাকলেও রাবেয়া আর ফেরেননি। পরদিন তাঁর মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিচয় শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সাগরকে শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাবেয়া খাতুন (৪০) হত্যাকাণ্ডে সারোয়ার জাহান সাগর (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে রাবেয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তার সাগর চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি রূপগঞ্জে থেকে রাজমিস্ত্রির শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
গত ৮ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পুলিশের ভাষ্য, ঘটনার দিন কাজ শেষে রাবেয়া একা বাড়ি ফেরার পথে সাগর তাঁর পিছু নেন। নির্জন স্থানে তাঁকে আঘাত করে রাস্তার পাশের ঝোপে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। তদন্তের আলামত হিসেবে সাগরের টি-শার্ট ও লুঙ্গি উদ্ধার করেছে পুলিশ।








