
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৭ নং সব্দালপুর ইউনিয়নকে আধুনিক সৃজনশীল আদর্শ ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে দূঢ় প্রত্যয় হিসেবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ফারুক আহম্মেদ।সব্দালপুর ইউনিয়নের নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুশাসন সমাজ উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফারুক আহম্মেদ । সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি আধুনিক, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এছাড়াও সব্দালপুর ইউনিয়ন বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে যখন ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, ঠিক সেই সময় মানবসেবাকে রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে সামনে এনে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন এই তরুণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক।
এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে জানা গেছে।আমতৈল এলাকার এক মুদি দোকানী জানান,মোঃ ফারুক আহম্মেদ সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর রাখেন। কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং যুব ও তরুন সমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।
জানা যায়,মোঃ ফারুক আহম্মেদ শ্রীপুর উপজেলা মৎস্যজীবীদলের আহবায়ক। ২০১৬ সালে সব্দালপুর ইউনিয়নে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন মোঃ ফারুক আহম্মেদ ।আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি সঠিকভাবে ঘরে ঘরে গিয়ে নির্বাচন করতে পারেন নি।অবশেষে একপর্যায়ে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নিকট পরাজিত হন।কিন্তু কখনও তিনি দলের হাল ছাড়েন নি।সবসময় জনগণের সাথে সু সম্পর্ক,মানুষের আপদ বিপদের ছুটে চলা,ঈদ-পূজার সময় উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি কাজ করে যাচ্ছেন।
সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা, কাজলী,সোনাতুন্দি বাজারের একাধিক ব্যাক্তি জানান, একজন জনপ্রতিনিধির মধ্যে যেসব মানবিক গুণাবলি থাকা প্রয়োজন তার অনেকগুলোই ফারুক আহম্মেদের মধ্যে দেখা যায়। তিনি নিরহংকারী মানুষের সঙ্গে মিশে যান এবং যেকোনো সমস্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। এ কারণেই ইউনিয়নের তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ইতিবাচকভাবে দেখছেন।বাখেরা গ্রামের প্রবীণ এক ব্যক্তি বলেন, “বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়, যারা নিজের স্বার্থের আগে এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে।মোঃ ফারুক সবচেয়ে বড় একটা দিক হলো তার সুন্দর মানসিকতা।
তিনি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা আশা করি।” অন্যদিকে যুবসমাজের অনেকেই মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নে নতুন ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের কর্মসংস্থান, খেলাধুলা, সামাজিক সচেতনতা এবং মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয়ে মোঃ ফারুক আহম্মেদ সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এ বিষয়ে আসন্ন আমলসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মানবতার বাতিঘর মোঃ ফারুক আহম্মেদ সাংবাদিককে বলেন ,আমি দীর্ঘ দিন ধরে সব্দালপুর ইউনিয়ন মানুষের মধ্যে আছি এবং খুব কাছ থেকে তাদের সুখ দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যা দেখেছি।আমি ইতিপূর্বে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছি কিন্তু জনপ্রিয়তা থাকার পরও ভোট পেয়েও নির্বাচিত হতে পারি নি। কারণ আমি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলাম।আমি শ্রীপুর উপজেলা মৎস্যজীবিদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি।
আমাদের ইউনিয়ন অনেক কিছু সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন।মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানের ভূমিকা রাখার ইচ্ছা থেকে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চেয়ারম্যান পদকে ক্ষমতার পদ হিসেবে দেখিনা।আমি এটাকে মানুষের সেবা করার বড় একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখি।জনগণ আমাকে একটিবার সুযোগ দিলে দল মত ধর্ম বর্ণনির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার প্রধান লক্ষ্য ইউনিয়নের নাগরিক সেবা,আরো সহজ ও স্বচ্ছ করা,রাস্তাঘাটও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্ব দেওয়া,কৃষক সাধারণ মানুষের
প্রয়োজন অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত মানুষের কাছে পৌছায় তা নিশ্চিত করা।সবশেষে আমি আমলসার ইউনিয়নের মানুষের কাছে দোয়া ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। তারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন তাহলে আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নয় তাদের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।
তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের সেবা করা।সব্দালপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ঘাট এখনো বেহাল দশা মাদক,জুয়া,অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে গেছে। এ জাতীয় গুরত্বপূর্ণ সমস্যা থেকে জনগণকে পরিত্রান দিতে চাই মানুষের পাশে থেকে। মানুষ যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, উন্নয়ন সুবিধা পায় এবং নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “আমি চাই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে।
যুবসমাজকে দক্ষ ও সচেতন করে তুলতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে আমার।” এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষকদের সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় শিক্ষিত, মানবিক ও তরুণ নেতৃত্বের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
সেই দিক থেকে মোঃ ফারুক আহম্মেদ নিজেকে একজন জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।







