
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এক রাতেই সাতটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দোকানের পাশাপাশি ভাসানীগাঁও ও দক্ষিণ লংগুরপার জামে মসজিদের দানবাক্সের টাকাও চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এর আগে একই এলাকায় একটি দোকান থেকে নগদ ৬১ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে। মাধবপুর ইউনিয়নের লংগুরপার গ্রামের সামসু মিয়া, বাবুল মিয়া এলাকার দুইটি দোকান, টিলাগাঁওয়ের ফরিদ মিয়া এবং ভাসানীগাঁও এলাকার তালেব ও আব্দুল্লাহর দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে চুরি হয়েছে। এ ছাড়া সদর ইউনিয়নের লংগুরপার এলাকার হবিব মিয়ার দোকানেও চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় মকবুল মিয়ার দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। তবে দোকানের ভেতরে কোনো মালামাল না পেয়ে তারা খালি হাতে ফিরে যায় বলে জানা গেছে। একই রাতে ভাসানীগাঁও ও দক্ষিণ লংগুরপার জামে মসজিদের দানবাক্স থেকে টাকাও চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর কয়েক দিন আগে মাধবপুর ইউনিয়নের ভাসানীগাঁও এলাকায় হাবিবুর রহমানের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই দোকান থেকে নগদ ৬১ হাজার টাকা, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি হাতঘড়ি চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁদের অভিযোগ, আগের চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হওয়ায় চোরচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলে এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত চুরির ঘটনাগুলো তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সহ চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং এলাকায় রাতের পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের দ্বিতীয় কর্মকর্তা (এসআই) আমির হোসেন জানান, ঘটনাগুলো তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






