শিরোনাম
পিংক সাইকেল চালিয়ে কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসিবগুড়া শেরপুরে ৩ হাজার কোটি টাকার ফ্লাইওভার নির্মাণের ঘোষণা : কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হারেজেরঅগ্নিকাণ্ডে ছাই ব্যবসার সব পুঁজি, নিঃস্ব যুবদল নেতার খোঁজ নেয়নি কেউঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন: ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও ডগ ইউনিট দিয়ে নজরদারি জোরদারবগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার ছিনতাইসাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রীএবার বিগ ব্যাশ মাতাবেন মুস্তাফিজসংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হচ্ছেন এলিজা জামানআরামবাগ হাই স্কুলের ২০ শিক্ষার্থী পেল পাঠ্যবইটুপটুপ রিসোর্টে আগুন: ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, নিখোঁজ নাসরিনফিজির বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে মিসরের পার্লামেন্টের অনুমোদন

বগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার ছিনতাই

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিট

বগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর প্রতিনিধির কাছ থেকে ১০টি স্বর্ণের বার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর বগুড়া মহানগরের গালাপট্টি এলাকার মোকাররম হোসেন খান মার্কেটের তৃতীয় তলায় অবস্থিত স্বর্ণের দোকানের মালিক মো. খাইরুল ইসলাম (৫২) ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তাঁর খালাতো ভাই মো. বাপ্পি হোসেনের (২৭) মাধ্যমে জয়পুরহাটে স্বর্ণ পাঠান। ২৪ ক্যারেটের ১০টি তেজাবি স্বর্ণের বারের মোট ওজন ছিল ১০২ ভরি ১২ আনা। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ১৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, স্বর্ণ নিয়ে বাসযোগে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী এলাকায় পৌঁছালে তিন থেকে চারজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে বাসটি থামায়। পরে তারা বাপ্পি হোসেনকে চড়-থাপ্পড় মেরে তাঁর কাছে থাকা স্বর্ণের বারগুলো ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

‎ভুক্তভোগী বাপ্পি হোসেন জয়পুরহাট জেলার শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মো. সাইফুল ইসলাম। ঘটনার পর স্বর্ণের মালিক মো. খাইরুল ইসলাম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

‎শিবগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৩৩। মামলার তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২৬। দণ্ডবিধির ১৭০/৩৯৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

‎এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ বিষয়ে পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি, অভিযুক্তদের পরিচয় কিংবা গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ