শিরোনাম
পিংক সাইকেল চালিয়ে কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসিবগুড়া শেরপুরে ৩ হাজার কোটি টাকার ফ্লাইওভার নির্মাণের ঘোষণা : কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হারেজেরঅগ্নিকাণ্ডে ছাই ব্যবসার সব পুঁজি, নিঃস্ব যুবদল নেতার খোঁজ নেয়নি কেউঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন: ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও ডগ ইউনিট দিয়ে নজরদারি জোরদারবগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার ছিনতাইসাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রীএবার বিগ ব্যাশ মাতাবেন মুস্তাফিজসংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হচ্ছেন এলিজা জামানআরামবাগ হাই স্কুলের ২০ শিক্ষার্থী পেল পাঠ্যবইটুপটুপ রিসোর্টে আগুন: ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, নিখোঁজ নাসরিনফিজির বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে মিসরের পার্লামেন্টের অনুমোদন

অগ্নিকাণ্ডে ছাই ব্যবসার সব পুঁজি, নিঃস্ব যুবদল নেতার খোঁজ নেয়নি কেউ

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিট

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে গুদামের সব পণ্য হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইমরুল হাসান। পাট, পেঁয়াজ, রসুন ও চাল মিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে তার। এর মধ্যে কৃষি ব্যাংক থেকে নেওয়া ১০ লাখ টাকার ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ইমরুল হাসানের গুদামসহ আটটি গুদাম পুড়ে যায়।

আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে গুদামগুলোর মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ইমরুল হাসান জানান, তার গুদামে ২০০ মণ পেঁয়াজ, ১৫০ মণ পাট, ৫০ মণ রসুন ও ৪০ মণ চাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে যাওয়ায় তার প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। নিজের পুঁজির পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তিনি এসব পণ্য কিনেছিলেন। এখন এই ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডের পর পুড়ে যাওয়া গুদামের সামনে দাঁড়িয়ে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছেন ইমরুল। যে পণ্যগুলো ছিল তার ব্যবসার মূল সম্বল, সেগুলোর জায়গায় এখন পড়ে আছে পোড়া মালামাল ও ছাই।

ইমরুল হাসানের আক্ষেপ, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। দলের দুর্দিনে মামলা ও হামলার শিকারও হয়েছেন বলে দাবি তার। অথচ এত বড় ক্ষতির পরও দলের কোনো নেতাকর্মী তার খোঁজ নেননি বা সমবেদনা জানাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তাদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ