বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ী গ্রামের শহরপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের বেহাল কাঁচা সড়কটি ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাটি ভরাট করে সংস্কার করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন দুলাল। তাঁর এ উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে নিজস্ব অর্থায়নে শ্রমিক ও মাটি ফেলার ব্যবস্থা করে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া রাস্তাটিতে মাটি ভরাটের মাধ্যমে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেড়েরবাড়ী গ্রামের শহরপাড়া এলাকার এই কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে কাদা সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো এলাকাবাসীকে। শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বাসিন্দাদের প্রতিদিনই নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হতো। এমন পরিস্থিতিতে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শাহাদাৎ হোসেন দুলাল ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন।
শাহাদাৎ হোসেন দুলাল নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ী গ্রামের বুড়িরভিটা পাড়ার মৃত ওয়াহেদ আলী প্রামাণিকের ছেলে। তিনি নিমগাছী ইউনিয়ন যুবদলের একজন নেতা। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা করছেন।
এদিকে সড়ক সংস্কারের সময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন দুলাল, নিমগাছী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শিপন, উপজেলা ওলামা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. জাহিদ সরকার, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক সাকিদার, সিনিয়র সহসভাপতি সাদিকুল ইসলাম, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিষ্টার আলী, সিনিয়র সহসভাপতি হারুন অর রশিদ প্রাং, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ অপু, বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজের আহ্বায়ক সদস্য আদিল হাসান, ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য মাহমুদুল হাসান এবং বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক সরকার, প্রবাসী আবু জাফর’সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয়দের মতে, গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সড়কগুলো সংস্কারে এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সহায়ক হবে।








