বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর ডিমলায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে র্যালিটি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন। উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব তরিকুল ইসলাম খান (লোহানী) সভাটি সঞ্চালনা করেন।
এতে বক্তব্য দেন জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম লিটন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম (ডিআর) এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সবুজসহ অন্য নেতারা।
বক্তারা বলেন, ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলার রাখাল রাজা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় তিনি ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। রাষ্ট্র পরিচালনার স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি আরও দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে পারতেন বলে মন্তব্য করেন তাঁরা।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে এবং দেশে গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাঁদের অভিযোগ, ওই সময়ে দেশের কোথাও শান্তিপূর্ণভাবে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার আনন্দের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে পারছেন বলে জানান তাঁরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।








