শিরোনাম
বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতিতিন ম্যাচ নিষিদ্ধ নেইমারআকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশডিমলায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিতসুন্দরগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীনাটোরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বানপল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বগুড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকমলগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সুশীল রঞ্জন পালের রাষ্টীয় মর্যাদায় সৎকারশ্রীনগরে  বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিতবাংলাদেশ দ্বিতীয় সুন্দরবন নিঝুম দ্বীপ: নদী ভাঙনের মুখেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়রাজাপুর সেতুর অসম্পূর্ণ প্রকল্প সমাপ্তির সিদ্ধান্ত, নতুন প্রকল্পের অপেক্ষায় দক্ষিণ কুলাউড়াবগুড়া শেরপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

বাংলাদেশ দ্বিতীয় সুন্দরবন নিঝুম দ্বীপ: নদী ভাঙনের মুখেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিট

প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি ও দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে শীতের শুরুতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে একদিকে যেমন পর্যটকদের কোলাহলে মুখরিত হচ্ছে এই দ্বীপ, অন্যদিকে তীব্র নদী ভাঙন ও নানা সংকটে বিপন্ন হচ্ছে এর বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য।প্রকৃতির রূপ ও পর্যটন সম্ভাবনা

১৯৪০ সালের দিকে বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠে প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের এই দ্বীপ। চর ওসমান, বাউল্লার চর, কামলার চর ও মৌলভীর চর—এই চারটি চরের সমন্বয়ে গঠিত নিঝুম দ্বীপকে ২০০১ সালে ‘জাতীয় উদ্যান’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।এখানে একই সাথে দেখা মেলে সমুদ্র, ম্যানগ্রোভ বন ও চিত্রা হরিণের। সেন্টমার্টিন ও সুন্দরবনের যৌথ অনুভূতি মেলা এই দ্বীপে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ চৌধুরী খালের নৈসর্গিক দৃশ্য, কেওড়া বনের মায়াবী পরিবেশ এবং সৈকতে ক্যাম্পিং ও বারবিকিউর আনন্দ।

পর্যটন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে রেস্তোরাঁ ও কটেজ নির্মাণসহ বিশেষ পর্যটন জোন গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে।নদী ভাঙন ও জীববৈচিত্র্যের সংকট ভ্রমণপিপাসুদের এই স্বর্গরাজ্য এখন মারাত্মক হুমকির মুখে। একদিকে মেঘনার তীব্র নদী ভাঙনে প্রতিবছরই দ্বীপের আয়তন ছোট হয়ে আসছে, বিলীন হচ্ছে কেওড়া ও গেওয়ার সাজানো বন। অন্যদিকে সুপেয় মিঠাপানির তীব্র অভাব, বর্ষায় খুরারোগ, কুকুরের আক্রমণ এবং বড় জোয়ারের কারণে নিঝুম দ্বীপের প্রাণ খ্যাত চিত্রা হরিণের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমছে।

সত্তরের দশকে মাত্র চার জোড়া হরিণ দিয়ে শুরু হওয়া এই অভয়ারণ্যে ১৯৯৬ সালের শুমারিতে ২২ হাজার হরিণ থাকলেও, বর্তমানে নদী ভাঙন ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে সেই সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।

স্থানীয় পরিবেশবিদ ও পর্যটকদের দাবি, নদী ভাঙন রোধে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষায় মিঠাপানির পুকুর খনন না করা হলে অচিরেই নিঝুম দ্বীপ তার চিরচেনা সৌন্দর্য ও গৌরব হারিয়ে ফেলবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ