শিরোনাম
আমলাদের একটি অংশ রাজনৈতিক প্রভুদের সেবা করতে বেশি আগ্রহীবিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাস, ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি১৩ মাসের বাচ্চাকে ২ লাখ টাকায় বিক্রিভারতের সঙ্গে পানির হিস্যায় একচুলও ছাড় নয়: নাহিদসৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ৩, আহত ৩৬হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক-চিকিৎসকসহ ১১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্তঅ-মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাইগ্রাহকের টাকা আত্মসাতে ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেপ্তারধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীশিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪ টাকা ভাড়া নির্ধারণরূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নে অভিযানবাঁশের চাটাই বেয়ে স্কুলে যায় শিক্ষার্থীরা, ভোগান্তি

রসায়নে নোবেল পেলেন অঁরি কাগান ও কেনসো সোয়াই

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিটপড়া হয়েছে ০ বার

রসায়নের অত্যন্ত জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণে অ-রৈখিক প্রভাব এবং স্ব-অনুঘটন আবিষ্কারের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের অঁরি বি কাগান এবং জাপানের কেনসো সোয়াই। সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস গতকাল এই বছরের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। তাঁদের এই যুগান্তকারী আবিষ্কার আধুনিক ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি এবং মানবদেহের জন্য কার্যকরী রাসায়নিক কণা তৈরিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। বিজয়ীরা সনদ ও মেডেলের পাশাপাশি পুরস্কারের অর্থ পাবেন, যা তাঁদের মধ্যে সমবণ্টন করা হবে।

১৯০১ সালে প্রবর্তনের পর থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রসায়নে নোবেল পুরস্কার মোট ১১৮ বার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সহ কিছু বছর এই বিভাগে পুরস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২৬ সালের নতুন ২ জন বিজ্ঞানীসহ এ পর্যন্ত রসায়নে মোট নোবেল বিজয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০২ জনে। বিজ্ঞানের ইতিহাসে মাত্র ২ জন বিজ্ঞানী রসায়নে দুইবার করে নোবেল পেয়েছেন। তাঁরা হলেন, ফ্রেডরিক সেঙ্গার (১৯৫৮ ও ১৯৮০) এবং কে. ব্যারি শার্পলেস (২০০১ ও ২০২২)। এছাড়া কিংবদন্তি বিজ্ঞানী মেরি ক্যুরি দুই ভিন্ন বিষয়ে নোবেল পেয়েছিলেন, ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে।

নেদারল্যান্ডসের বিজ্ঞানী ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ ১৯০১ সালে রসায়নে প্রথম নোবেল পান। রাসায়নিক গতিবিদ্যা এবং দ্রবণের অসমোটিক চাপ আবিষ্কারের মাধ্যমে রসায়নের ভিত্তি গড়ার জন্য তিনি এই পুরস্কার পান। ২০২৫ সালে জাপানের সুসুমু কিতাগাওয়া, যুক্তরাজ্য/অস্ট্রেলিয়ার রিচার্ড রবসন এবং জর্ডান/যুক্তরাষ্ট্রের ওমর এম. ইয়াগি। মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক বা ধাতব-জৈব কাঠামো তৈরির যুগান্তকারী প্রযুক্তির জন্য যৌথভাবে তাঁরা এই পুরস্কার পান। রসায়নে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পাওয়ার রেকর্ডটি ফরাসি বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক জোলিও-কুরির।

১৯৩৫ সালে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি তাঁর স্ত্রী ইরেন জোলিও-ক্যুরির সাথে যৌথভাবে নোবেল পান। কেবল রসায়নেই নয়, নোবেলের পুরো ইতিহাসেই সবচেয়ে বেশি বয়সে পুরস্কার পাওয়ার অনন্য রেকর্ড বিজ্ঞানী জন বি. গুডএনাফের। ২০১৯ সালে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির নেপথ্য অবদানের জন্য যখন তিনি নোবেল পান, তখন তাঁর বয়স ছিল ৯৭ বছর। নারী বিজয়ী: রসায়নে এ পর্যন্ত মোট ৮ জন নারী নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এই তালিকায় প্রথম নামটি বিজ্ঞানী মেরি কুরির (১৯১১)।

রীতি অনুযায়ী, আগামী ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্টকহোমে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬ সালের রসায়নের এই দুই নতুন নোবেলজয়ীর হাতে মেডেল, ডিপ্লোমা ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ