শিরোনাম

তন্ত্রসাধনার নামে স্ত্রী-বাবাকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিটপড়া হয়েছে ০ বার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাঁকুড়া জেলায় মহাঅষ্টমীর সন্ধ্যায় তন্ত্রসাধনার নামে স্ত্রী ও বাবাকে কুঠার দিয়ে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত মঙ্গল চৌধুরী তার স্ত্রী রম্পা চৌধুরী এবং বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীকে বলি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যা করে স্ত্রীর বিচ্ছিন্ন মস্তক মন্দিরের বেদিতে উৎসর্গ করেন। মঙ্গলবার দ্য স্টেটসম্যানের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে। জোড়া হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত মঙ্গল নিজের একটি আঙুল কেটে রক্ত স্ত্রীর কাটা মাথায় মেখে দেন।

রক্তমাখা মাথা নিয়ে তাকে মন্দিরের দিকে যেতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা পুলিশে খবর দেন। সোনামুখী থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে, উঠান থেকে বাবার লাশ উদ্ধার করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত কুঠারটি উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত পুলিশকে জানায়, মহাঅষ্টমী ও মহানবমীর সংযোগস্থল সন্ধিপূজার মাহেন্দ্রক্ষণে তন্ত্রসাধনার অংশ হিসেবে তিনি এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। আঙুলের চিকিৎসার পর বাঁকুড়া আদালত পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

পুলিশ ঘটনায় উসকানি দেওয়া বা পরামর্শ দেওয়া স্থানীয় মন্দির পুরোহিতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। দুর্গাপূজায় সন্ধিপূজার সময় দেবী দুর্গা চণ্ড ও মুণ্ডকে বধ করে চামুণ্ডা রূপ ধারণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়, যেখানে প্রথাগতভাবে ১০৮টি পদ্ম ও প্রদীপসহ বলি প্রথা প্রচলিত থাকলেও আধুনিককালে যা প্রতীকি সবজি বলির মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ