শিরোনাম
আমলাদের একটি অংশ রাজনৈতিক প্রভুদের সেবা করতে বেশি আগ্রহীবিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাস, ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি১৩ মাসের বাচ্চাকে ২ লাখ টাকায় বিক্রিভারতের সঙ্গে পানির হিস্যায় একচুলও ছাড় নয়: নাহিদসৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ৩, আহত ৩৬হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক-চিকিৎসকসহ ১১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্তঅ-মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাইগ্রাহকের টাকা আত্মসাতে ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেপ্তারধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীশিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪ টাকা ভাড়া নির্ধারণরূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নে অভিযানবাঁশের চাটাই বেয়ে স্কুলে যায় শিক্ষার্থীরা, ভোগান্তি

ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য আসছে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল

প্রকাশ:
পড়তে সময় লাগবে ২ মিনিটপড়া হয়েছে ০ বার

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে (ইআরপিএলসি) প্রক্রিয়াকরণের জন্য ২০২৭ সালে সৌদি আরব ও আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সৌদি আরামকো ও আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডনক) থেকে জিটুজি ভিত্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এ তেল আমদানি করবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) সৌদি আরবের সৌদি আরামকো এবং আবুধাবির এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ আমদানির অর্থায়নের উৎস হিসেবে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থার (আইটিএফসি) ঋণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিপিসি জিটুজি চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরামকো ও এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করে আসছে। ইআরপিএলসির পুরোনো প্ল্যান্টে ‘অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল’ ও ‘মারবান ক্রুড অয়েল’ প্রক্রিয়াকরণ তুলনামূলকভাবে বেশি উপযোগী ও আর্থিকভাবে লাভজনক বলে বৈঠকে জানানো হয়।

এ ছাড়া চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোনো দেশ বা সরবরাহকারীর কাছ থেকে এসব ক্রুড অয়েল পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে সরকারি ক্রয় আইন (পিপিএ) ২০০৬-এর ৬৮(১) ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) ২০২৫-এর বিধি ১০৭(২) অনুযায়ী ডিপিএমে ক্রুড অয়েল আমদানির প্রস্তাব করা হয়। অন্যদিকে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জিটুজি প্রক্রিয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানির নীতিগত অনুমোদনের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আরেকটি প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিপিসির পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিন করার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের মতে, সময়সীমা কমানো হলে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

এই বিভাগের আরও সংবাদ