ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসভাড়া নিয়ে কয়েক দিনের আন্দোলনের পর সাধারণ যাত্রীদের জন্য ৫৮ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪ টাকা ভাড়া নির্ধারণে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভাড়া কমানো ও শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, একাধিক বৈঠক এবং সড়ক অবরোধের ঘোষণার পর প্রশাসন, বাস মালিক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মধ্যে এ সমঝোতা হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রশাসন, বাস মালিক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের বৈঠকে এই ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে সোমবারের বৈঠকেও একই ভাড়ায় নীতিগত ঐকমত্য হয়েছিল। ফলে কয়েক মাস ধরে ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা এবং পরে ৬০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলা আন্দোলনের আপাতত অবসান হলো।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাস মালিকদের ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এবার শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের আন্দোলনের মুখে প্রশাসন ও বাস মালিকদের আলোচনার টেবিলে বসতে হয়েছে। তাদের ভাষায়, এটি বাস মালিকদের একতরফা ভাড়া নির্ধারণের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার বিজয়।
তবে এ বিজয় নতুন কোনো ঘটনা নয়। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসভাড়া বাড়ানো, যাত্রীদের ক্ষোভ, আন্দোলন, প্রশাসনের বৈঠক এবং শেষ পর্যন্ত নতুন ভাড়া নির্ধারণের এই চক্র চলছে অন্তত দেড় দশক ধরে। পুরোনো নথি ও সংবাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে ভাড়ার অঙ্ক বদলেছে, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ বদলেছে, কিন্তু সমস্যার ধরন খুব একটা বদলায়নি।








